নিজেস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার বিএনপি কর্মী মোঃ মহিদুল ইসলাম জুয়েল তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করেছেন। ২০০৩ সাল থেকে শুরু করে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা ২৩ বছরের রাজনৈতিক পথচলায় তিনি ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
জানা যায়, ২০০৩ সালে ছাত্রদলের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে বৃহত্তর আড়ানী ইউনিয়ন থেকে তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে আড়ানী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য সচিব হিসেবে নির্বাচিত হন। একই বছরের মাঝামাঝি সময়ে আড়ানী ইউনিয়ন পৌরসভায় রূপান্তরিত হলে তিনি পৌর ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন এবং সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে কাজ করেন।
২০১০ সালে রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের কর্মী সম্মেলনের সময়ও তিনি সক্রিয় কর্মী হিসেবে ভূমিকা রাখেন। ২০১১ সালে জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণার পর আড়ানী পৌর ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হন এবং একই বছর তিনি আড়ানী পৌর ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান।
এরপর ২০১৮ সালে তিনি আড়ানী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নির্বাচিত হন। একই বছর রাজশাহী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পান, যা তার রাজনৈতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত।
তার রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতাও এসেছে। ২০১৪ সালে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে বিস্ফোরক মামলায় চার মাস কারাবরণ করেন। এছাড়া ২০২২ সালে আরেকটি বিস্ফোরক মামলায় আসামি হন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে, ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর আড়ানী ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি, যা তার সামাজিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
মহিদুল ইসলাম জুয়েল জানান, দীর্ঘ ২৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি নেতা-কর্মীদের ভালোবাসা পেয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও সেই ভালোবাসা ধরে রাখতে চান। তিনি আড়ানী পৌরবাসীর কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।



